এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপ ২০২৬ বাছাইপর্বে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল দল তাদের অপ্রতিরোধ্য যাত্রা অব্যাহত রেখেছে। চীনের মাটিতে অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টে তরুণ ফুটবলাররা একের পর এক দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে দেশের ক্রীড়াপ্রেমীদের মন জয় করছেন। শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষেও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে তারা মূলপর্বে খেলার স্বপ্ন টিকিয়ে রেখেছেন। সম্প্রতি, বাহরাইনের বিপক্ষে ২-১ গোলের এক উত্তেজনাপূর্ণ জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশের কিশোর দল। এই জয় তাদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এর আগে শ্রীলঙ্কাকে ৫-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে নিজেদের সক্ষমতা জানান দিয়েছিল এই দলটি, যা তাদের আক্রমণভাগের তীক্ষ্ণতা এবং রক্ষণভাগের দৃঢ়তা উভয়ই প্রমাণ করে। এই ধারাবাহিক সাফল্য প্রমাণ করে যে বাংলাদেশের ফুটবলে সম্ভাবনাময় তারুণ্যের অভাব নেই এবং সঠিক পরিচর্যা পেলে তারা আরও অনেক দূর যেতে পারে।
এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ দলের পারফরম্যান্স সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। এখন পর্যন্ত অপরাজিত থেকে তারা পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে, যা মূলপর্বে তাদের অংশগ্রহণের সম্ভাবনাকে উজ্জ্বল করেছে। বাহরাইন ও শ্রীলঙ্কার মতো দলগুলোকে হারানোর পর, তাদের সামনে এখন আয়োজক চীনের বিপক্ষে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ রয়েছে। এই ম্যাচটি তাদের মূলপর্বে অংশগ্রহণের পথ আরও সুগম করবে এবং গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে শেষ করার সুযোগ করে দেবে। দৈনিক প্রথম আলো জানিয়েছে, দলের খেলোয়াড়রা মাঠে দারুণ বোঝাপড়া ও কৌশলগত দক্ষতা দেখাচ্ছেন, যা তাদের বিজয়ের অন্যতম কারণ। বিশেষ করে রক্ষণভাগ ও আক্রমণভাগে তাদের ভারসাম্যপূর্ণ খেলা প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলছে এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে সাহায্য করছে। কোচিং স্টাফের সঠিক নির্দেশনাও এই সাফল্যের পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে।
অনূর্ধ্ব-১৭ দলের এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। এটি কেবল একটি টুর্নামেন্টে ভালো খেলা নয়, বরং দেশের ফুটবল ভবিষ্যতের জন্য একটি অত্যন্ত ইতিবাচক বার্তা। এই তরুণ খেলোয়াড়দের হাত ধরে জাতীয় দল ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা যায়, যা দেশের ফুটবলের সামগ্রিক মান উন্নয়নে সহায়ক হবে। যুব ফুটবলে বিনিয়োগ ও সঠিক প্রশিক্ষণের সুফল হিসেবেই এমন সাফল্য আসছে বলে মনে করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা। যুগান্তর পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই কিশোরদের মধ্যে অনেকেই ভবিষ্যতে দেশের ফুটবলের তারকা হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রাখেন এবং তাদের এই সাফল্য দেশের অন্যান্য তরুণ খেলোয়াড়দেরও অনুপ্রাণিত করবে। এই ধরনের আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে নিয়মিত অংশগ্রহণ ও ভালো ফল দেশের ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়াতেও সাহায্য করবে।