সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান সম্প্রতি সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে সিঙ্গাপুরের স্থায়ী বাসিন্দা থাকা এ ব্যবসায়ী দেশের নাগরিকত্ব ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন, কারণ সিঙ্গাপুরে দ্বৈত নাগরিকত্বের সুযোগ নেই।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব পেতে হলে আগের নাগরিকত্ব ত্যাগ করতে হয়। আজিজ খান বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পরিত্যাগের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেই সিঙ্গাপুরের নাগরিক হন।
ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, আজিজ খান সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকায় গত সাত বছর ধরে আছেন। ২০২৪ সালের তালিকায় তিনি ৪৩তম ধনী এবং তার সম্পদের পরিমাণ ১১০ কোটি ডলার। এর আগে, তিনি বাংলাদেশি হিসেবে ফোর্বসের বৈশ্বিক ধনী তালিকায় স্থান পেয়েছিলেন।
১৯৫৫ সালে জন্ম নেয়া মুহাম্মদ আজিজ খান ১৯৭৩ সালে জুতা তৈরির ব্যবসার মাধ্যমে নিজের কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে চিটাগুড় রফতানি এবং ট্রেডিং ব্যবসায় যুক্ত হন। বিদ্যুৎ খাতে তার বিশাল বিনিয়োগ সামিট পাওয়ারের মাধ্যমে তাকে সাফল্যের শীর্ষে নিয়ে যায়।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে সামিট গ্রুপ ব্যবসায়িক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে কোম্পানির বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে এবং এলএনজি টার্মিনালের চুক্তি বাতিল করা হয়েছে।
আজিজ খানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, তিনি এবং তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে সিঙ্গাপুরে বসবাস করছেন এবং মাঝে মাঝে বাংলাদেশে এলেও বছরের বেশিরভাগ সময় বিদেশে কাটান।
সিঙ্গাপুরের নাগরিক হলেন সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান