গগনচুম্বী ভবনগুলো আধুনিক স্থাপত্য ও প্রকৌশল দক্ষতার প্রতীক। এগুলো শুধু আকাশছোঁয়া উচ্চতায় নয়, বরং নকশা, স্থাপত্য এবং ব্যবহারের বহুমুখী দিক দিয়ে অনন্য। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নির্মিত এসব ভবন কেবলমাত্র শহরের চেহারা পরিবর্তনই করেনি, বরং অর্থনৈতিক ও সামাজিক কেন্দ্র হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বিশ্বের শীর্ষ ১০ উঁচু ভবন:
১. বুর্জ খালিফা (দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত)
উচ্চতা: ৮২৮ মিটার
নির্মাণ সম্পন্ন: ২০১০
বৈশিষ্ট্য: ইসলামিক স্থাপত্য দ্বারা অনুপ্রাণিত, এতে রয়েছে আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট, অফিস, হোটেল এবং একটি পর্যবেক্ষণতল।
২. মারদেকা ১১৮ (কুয়ালালামপুর, মালয়েশিয়া)
উচ্চতা: ৬৭৯ মিটার
নির্মাণ সম্পন্ন: ২০২৩
বৈশিষ্ট্য: আধুনিক নকশায় মালয়েশিয়ার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ছাপ।
৩. সাংহাই টাওয়ার (সাংহাই, চীন)
উচ্চতা: ৬৩২ মিটার
নির্মাণ সম্পন্ন: ২০১৫
বৈশিষ্ট্য: ছাদে রয়েছে বাগান এবং নকশা বাতাসের চাপ কমাতে সাহায্য করে।
৪. মক্কা রয়্যাল ক্লক টাওয়ার (মক্কা, সৌদি আরব)
উচ্চতা: ৬০১ মিটার
নির্মাণ সম্পন্ন: ২০১২
বৈশিষ্ট্য: ক্লক টাওয়ার দূর থেকে দৃশ্যমান, হজ ও ওমরাহযাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
৫. পিং অ্যান ফাইন্যান্স সেন্টার (শেনজেন, চীন)
উচ্চতা: ৫৯৯ মিটার
নির্মাণ সম্পন্ন: ২০১৭
বৈশিষ্ট্য: মসৃণ নকশা এবং এলইডি আলোকসজ্জা।
৬. লোটে ওয়ার্ল্ড টাওয়ার (সিউল, দক্ষিণ কোরিয়া)
উচ্চতা: ৫৫৫ মিটার
নির্মাণ সম্পন্ন: ২০১৭
বৈশিষ্ট্য: পর্যবেক্ষণতল থেকে সিউলের শ্বাসরুদ্ধকর দৃশ্য।
৭. ওয়ান ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার (নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র)
উচ্চতা: ৫৪১ মিটার
নির্মাণ সম্পন্ন: ২০১৪
বৈশিষ্ট্য: নাইন/ইলেভেন ঘটনার প্রতীক হিসেবে গড়ে তোলা ভবন।
৮. গুয়াংজু সিটিএফ ফাইন্যান্স সেন্টার (গুয়াংজু, চীন)
উচ্চতা: ৫৩০ মিটার
নির্মাণ সম্পন্ন: ২০১৬
বৈশিষ্ট্য: আধুনিকতার নিদর্শন।
৯. তিয়ানজিং সিটিএফ ফাইন্যান্স সেন্টার (তিয়ানজিং, চীন)
উচ্চতা: ৫৩০ মিটার
নির্মাণ সম্পন্ন: ২০১৯
বৈশিষ্ট্য: বহুমুখী ব্যবহারের উপযোগী।
১০. সিআইটিআইসি টাওয়ার (বেইজিং, চীন)
উচ্চতা: ৫২৮ মিটার
নির্মাণ সম্পন্ন: ২০১৮
বৈশিষ্ট্য: চীনা স্থাপত্যের ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সমন্বয়।
বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ১০ ভবন: স্থাপত্যশৈলীর শ্রেষ্ঠ উদাহরণ