আসন্ন আন্তর্জাতিক সিরিজ শুরুর ঠিক একদিন আগে বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক লিটন দাস নির্বাচকদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। শামীম হোসেন পাটোয়ারীকে দল থেকে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে তিনি গভীরভাবে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। লিটন বলেছেন, নির্বাচকদের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার পূর্ব যোগাযোগ ছাড়াই শামীমকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যা তাঁর কাছে অপ্রত্যাশিত। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অধিনায়কের এই ধরনের মন্তব্য দলের ভেতরের অস্থিরতার ইঙ্গিত দেয়। এই ঘটনা দেশের ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, বিশেষ করে যখন দল একটি গুরুত্বপূর্ণ সিরিজের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।
লিটন দাস জোর দিয়ে বলেছেন যে, শামীম হোসেনকে দল থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়ে তাঁর সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কেন এমন একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো যেখানে দলের অধিনায়কের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ডেইলি স্টার সূত্রে জানা যায়, লিটন স্পষ্ট করে বলেছেন যে, নির্বাচকদের কাছ থেকে এমন আচরণ অপ্রত্যাশিত এবং এটি দলের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি করতে পারে। শামীম সাম্প্রতিক সময়ে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন এবং তাঁর হঠাৎ বাদ পড়া অনেককেই বিস্মিত করেছে। অধিনায়কের এই বক্তব্য নির্বাচকদের স্বচ্ছতা এবং দল নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করেছে।
অধিনায়কের এমন প্রকাশ্য অসন্তোষ দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ইঙ্গিত দেয়, যা আসন্ন সিরিজে দলের পারফরম্যান্সে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এমন পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়দের মনোবল ভেঙে যেতে পারে এবং দলের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হতে পারে। একজন অধিনায়কের এমন বিস্ফোরক মন্তব্য দলের ভেতরের অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ। এই ঘটনা ভবিষ্যতে দল নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা এবং অধিনায়কের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। এটি বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য একটি চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতি তৈরি করেছে, যেখানে মাঠের খেলার পাশাপাশি মাঠের বাইরের বিষয়গুলোও সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।